অফিস ডেস্ক
সূর্যোদয়ের এর সাথে সাথে রাজশাহীতে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জেলা পুলিশ লাইন্সে একত্রিস (৩১) বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বিজয় দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।
সূর্যোদয়ের এর সাথে সাথজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল ৯টায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ,কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হয়েছে।জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিজয়মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছারা জেলা শিশু একাডেমি ও শিল্পকলা একাডেমি সহ নানা সংগঠনের আয়োজনে শিশুদের অংশগ্রহনে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা,আবৃতি,চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস ভোর সাড়ে ৬টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন,সকাল ৭টা ১০মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ,সকাল ৭টা ৪৫মিনিটে বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ,সকাল ৮টা ৪৫মিনিটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে খেলাধুলা,সকাল ৯টা ৩০মিনিটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মডেল স্কুলের আনন্দমেলা,সকাল ১০টায় সাবাস বাংলাদেশ চত্বরে বিজয় দিবস প্যারেড, ১০টা ৪৫মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের র্যালি ও পোস্টার প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং সকাল সাড়ে ১০টায় আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে জাদুঘর কেন্দ্রীয় উদ্যানে বিনামুল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছিল। কারাগার,এতিমখানা ও হাসপাতালগুলোতে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।