সারাদেশ

তেহরানে শতাব্দী প্রাচীন চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলা: যুদ্ধের ছায়ায় স্বাস্থ্যখাতে বিপর্যয়

বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঐতিহাসিক মেডিকেল প্রতিষ্ঠান—চিকিৎসা অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০৪:২১, ০২ এপ্রিল ২০২৬
photo

কামাল পাশা 

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক 

ইরানের রাজধানী তেহরানে শতাব্দী প্রাচীন একটি চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত এই হামলায় গবেষণা অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, হামলার সময় গবেষণা কেন্দ্রটির একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আধুনিক ল্যাব, গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সংরক্ষিত গবেষণা উপকরণেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে হতাহতের বিষয়ে এখনো নির্ভরযোগ্য কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের একটি ঐতিহাসিক চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে হামলা শুধুমাত্র অবকাঠামোগত ক্ষতি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে চিকিৎসা বিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ এসব প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত গবেষণা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই হামলার পর ইরানের বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারি পর্যায় থেকে দাবি করা হয়েছে, বেসামরিক ও মানবিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। যদিও হামলার জন্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষ দায় স্বীকার করেনি।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাতের বিস্তারের ফলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামোও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। এতে মানবিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে, তেহরানের এই চিকিৎসা গবেষণা কেন্দ্রে হামলার ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—চলমান সংঘাতে বেসামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ মানবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত।