সারাদেশ

মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আইনের শাসন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০২:৪০, ২৬ মার্চ ২০২৬
photo

অতীতের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা কাটিয়ে একটি নতুন এবং সফল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে যে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে, তার প্রতি জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে। সেই আস্থাকে পুঁজি করে আইনের শাসন ও মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় কাজ করাই বর্তমান সময়ের মূল লক্ষ্য।

 

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, দেশের মানুষ এখন এমন এক স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখে যেখানে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের কোনো স্থান থাকবে না। তার মতে, সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ পেতে হলে বিচার বিভাগে স্বচ্ছতা ও সাধারণ মানুষের সুবিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

 

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল তার বক্তব্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকারের প্রতি জনগণের আস্থার কথা উল্লেখ করে বলেন "বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশার পারদ এখন অনেক উঁচুতে। আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সুশাসন ও ন্যায়বিচার ছাড়া স্বাধীনতার পূর্ণতা সম্ভব নয়।"

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে একটি নতুন রাজনৈতিক যাত্রার সূচনা হয়েছে। এই যাত্রাকে সফল করতে তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বরত ব্যক্তিদের আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

 

অ্যাটর্নি জেনারেল জোর দিয়ে বলেন, আইন ও আদালতকে অবশ্যই স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল ২০২৪ এবং ২০২৬-এর গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন সম্ভব।

পরিশেষে তিনি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, একটি সফল ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার এবং বিচার বিভাগ সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাবে।