নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার যানজট পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে তিনি গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।
সমন্বিত উদ্যোগ ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে ডিএমপি, দুই সিটি করপোরেশন, রাজউক, বুয়েট বিশেষজ্ঞ এবং ডিটিসিএসহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যানজট নিরসনে সরকার তিন মেয়াদে (স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি) মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রী নিজে এই পরিকল্পনাগুলোর তদারকি করছেন। আমরা এপ্রিলের শেষ নাগাদ স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপগুলো মাঠপর্যায়ে কার্যকর করতে পারব বলে আশা করছি। এর ফলে নগরবাসী যানজট থেকে দৃশ্যমান স্বস্তি পাবেন।"
সিগন্যাল ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন ঢাকার ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের সংস্কারের কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুরো ব্যবস্থাটিকে দেশীয় প্রযুক্তিতে অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। বর্তমানে ৭টি ইন্টারসেকশনে এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু আছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও ৬টি পয়েন্টে অটোমেশন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ঢাকার মোট ১২০টি সিগন্যাল পয়েন্টকেই এই আধুনিক ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের পর মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করা হলে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো খুব শীঘ্রই রেজুলেশন আকারে বিস্তারিতভাবে সাধারণ মানুষকে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পরিকল্পিত এই আধুনিকায়ন ও কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে মে মাসের শুরু থেকেই রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।