সারাদেশ

জুলাই সংশ্লিষ্ট ১৩৩ অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করবে সংসদীয় কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০২:২৫, ২৪ মার্চ ২০২৬
photo

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ও জনআকাঙ্ক্ষাকে সমুন্নত রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় সংসদ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে জানানো হয়, গত সরকারের সময়কার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ পরিবর্তন এবং জুলাইযোদ্ধাদের ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি দেওয়ার বিষয়গুলো এই প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার পাবে।

 

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে এই বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারের এই অবস্থান পরিষ্কার করেন।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে গণআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, সেটিকে ধারণ করেই সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, সেগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হবে। বিশেষ করে জুলাইযোদ্ধাদের যে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে, সেটি আমরা গ্রহণ করব।” পাশাপাশি বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে নামকরণ করা হয়েছিল, সেগুলো পরিবর্তনের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে বলে তিনি জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, প্রতিটি অধ্যাদেশ ও নামকরণের বিষয়গুলো গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

 

উল্লেখ্য, বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুর দিন অর্থাৎ ১২ মার্চ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, উত্থাপনের পর থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে সংসদকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হবে।

 

জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সংসদীয় কমিটি।