সারাদেশ

জাতীয় মানসিক হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা: পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০১:৩৪, ০৮ মার্চ ২০২৬
photo

রাজধানীর জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরদার বকুল। রোববার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরদার বকুল এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত রাজধানীর এই বিশেষায়িত হাসপাতালটিতে ঝটিকা সফরে যান। পরিদর্শনকালে তারা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের চিকিৎসা সেবার মান যাচাই করেন।

 

পরিদর্শনকালে তিনি চরম অব্যবস্থাপনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন । এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও এখানে দৃশ্যত নেতৃত্বের সংকট এবং ব্যবস্থাপনাগত বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। যথাযথ তদারকির অভাবেই সেবার মান তলানিতে ঠেকেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

 

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও এখানে দৃশ্যত নেতৃত্বের সংকট এবং ব্যবস্থাপনাগত বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। যথাযথ তদারকির অভাবেই সেবার মান তলানিতে ঠেকেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

 

পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, হাসপাতালের সার্বিক চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক। বিশেষ করে রোগীদের ব্যবহারের বিছানায় ময়লা, তেলাপোকা ও ছারপোকা ঘুরে বেড়াতে দেখে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিরা সরকারের কাছে দায়বদ্ধ থাকা সত্ত্বেও নিজ নিজ কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হচ্ছেন। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, মানসিক রোগীদের চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালটিকে অন্য যেকোনো সাধারণ হাসপাতালের তুলনায় অনেক বেশি মানবিক হওয়া প্রয়োজন ছিল।

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত হাসপাতালের প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও এখানে দৃশ্যত নেতৃত্বের সংকট এবং ব্যবস্থাপনাগত বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। যথাযথ তদারকির অভাবেই সেবার মান তলানিতে ঠেকেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

 

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের পরিবেশ দ্রুত উন্নত করার এবং রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার কঠোর নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে সেবার মান বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।