সারাদেশ

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ০৬:৫৪, ০৭ মার্চ ২০২৬
photo

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে জনমনে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে আশ্বস্ত করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানিয়েছেন, দেশে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনসহ সব ধরনের তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী।

 

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেকের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে তেল ফুরিয়ে যেতে পারে। এই ধারণা থেকে অনেকেই ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড় করছেন এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং মজুতও সন্তোষজনক।

 

ভবিষ্যতে যেকোনো সংকট মোকাবিলায় সরকার আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

 

এছাড়া তিনি একটি সুখবর দিয়ে বলেন, আগামী ৯ মার্চ দেশে আরও দুটি জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের ঘাটতি হওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই।

 

অহেতুক 'প্যানিক' বা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের ফলে বাজারে অপ্রয়োজনীয় চাপের সৃষ্টি হয়।

 

জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত দাম আদায় রুখতে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। জনভোগান্তি কমাতে আগামীকাল থেকেই বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন।

 

পরিশেষে তিনি জানান, সরকার সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর।