সারাদেশ

নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১২:১৯, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
photo

  আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় তিনি আপিলের বুথ পরিদর্শন করে এ কথা বলেন।

 

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সবার সহযোগিতা থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে উপহার দেওয়া সম্ভব।  বর্তমানে নির্বাচন পরিবেশ-পরিস্থিতি সন্তোষজনক আছে বলেও জানান তিনি।

 

এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এই আপিল আবেদনের ওপর পর্যায়ক্রমে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

 

ইসি জানায়, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আগামী ৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করতে পারবেন। আপিল আবেদনের জন্য ১ সেট মূল কাগজপত্র এবং ৬ সেট ছায়ালিপি (ফটোকপি) মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।

 

আঞ্চলিক বুথ ভিত্তিক দায়িত্ব বন্টন আপিল গ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্রার্থীরা নির্ধারিত বুথে তাদের আপিল জমা দিতে পারবেন।

 

রংপুর অঞ্চল: বুথ-১ (আসন ১-৩৩), রাজশাহী অঞ্চল: বুথ-২ (আসন ৩৪-৭২), খুলনা অঞ্চল: বুথ-৩ (আসন ৭৩-১০৮), বরিশাল অঞ্চল: বুথ-৪ (আসন ১০৯-১২৯), ময়মনসিংহ অঞ্চল: বুথ-৫ (আসন ১৩০-১৬৭), ঢাকা অঞ্চল: বুথ-৬ (আসন ১৬৮-২০৮), ফরিদপুর অঞ্চল: বুথ-৭ (আসন ২০৯-২২৩), সিলেট অঞ্চল: বুথ-৮ (আসন ২২৪-২৪২), কুমিল্লা অঞ্চল: বুথ-৯ (আসন ২৪৩-২৭৭) ও চট্টগ্রাম অঞ্চল: বুথ-১০ (আসন ২৭৮-৩০০)

 

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে এটি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। পরিস্থিতি ও আপিলের সংখ্যা বিবেচনায় এই সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে। শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার প্রতিনিধি এবং আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

 

শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শন করা হবে এবং ই-মেইলে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। এছাড়া নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ১০-১২ জানুয়ারির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩-১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬-১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে।