নিজস্ব প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত আবারও যেকোনো সময় নতুন করে শুরু হতে পারে, এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত ৫০ জন সংসদ সদস্য আগামীকাল রোববার (৩ মে) শপথ নেবেন। শনিবার (২ মে) সংসদ সচিবালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, রোববার রাত ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১-এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এবারের সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য বিএনপি থেকে ৩৬ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট থেকে ১৩ জন মনোনীত হন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র প্রথমে বাতিল হলেও আজ শনিবার বৈধ ঘোষণা করা হয়।
সিলেট সফরে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির এলাকার লোকদের সঙ্গে হাস্যরস করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দুলাভাইকে কথা বলতে না দিলে তো দুলাভাই চলে যাবে। যাব আমি? কথা বলব না যাব? কথা বলতে হলে চুপ করতে হবে। আমি কথা বললে শ্বশুরবাড়ির লোকদের শুনতে হবে, ঠিক আছে?
শনিবার (২ মে) দুপুর ১২টার দিকে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নে বাসিয়া নদী পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এর আগে একদিনের সরকারি সফরে সিলেটে এসে বৃষ্টির মধ্যে ওসমানী বিমানবন্দরে নেমে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সেখান থেকে আরো কিছু উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সুধী সমাবেশে যোগ দেন।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা দুলাভাইয়ের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতমসহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ জানুয়ারি মানুষ ভোট দিয়ে এমন একটি সরকার নির্বাচিত করেছে, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে। আমাদের একমাত্র জবাবদিহি এদেশের জনগণের কাছে।
সেজন্য আমরা সেসব কাজ ও কর্মসূচি পালন করতে চাই, যেগুলোতে মানুষের কল্যাণ ও উপকার হবে।তিনি আরো বলেন, আপনাদের মনে আছে কি না, আমি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলেছিলাম? সেই ফ্যামিলি কার্ডের কাজও শুরু করেছি। এখন অনেকে বলতে পারেন আমাদের এলাকায় তো (সিলেটের লোকজন) পায়নি। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের এলাকায় যারা যারা পাওয়ার যোগ্য, সবাই পাবে।
আমরা চেষ্টা করব আগামী ৫ বছরের মধ্যে সারা দেশের মা-বোনদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা ও খাল খননের কাজও শুরু করেছি।
শিল্পমন্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি তার সঙ্গে বসেছিলাম; বলেছিলাম বন্ধ কলকারখানার তালিকা করতে এবং কেন বন্ধ হয়েছে তার কারণ খুঁজে বের করতে। আমরা ধীরে ধীরে সব কারখানা চালু করব, যাতে বেকারদের কর্মসংস্থান হয়।