নিজস্ব প্রতিবেদক
জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালীকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে ইরান। তবে এখনো খুবই সীমিত সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে নৌপথটি দিয়ে। এরিমধ্যে আবারও পাল্টাপাল্টি হুমকি দেওয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র যদি হরমুজ প্রণালিতে তাদের নৌ-অবরোধ অব্যাহত রাখে, তবে তারাও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি পুনরায় বন্ধ করে দেবে।
লেবাননের সঙ্গে দখলদার ইসরায়েলের ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির শুরু হওয়ার পর এমন ঘোষণা দিয়েছে ইরান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নেভি জাহাজগুলোর জন্য কিছু শর্ত আরোপ করেছে, যার মধ্যে যাতায়াতের জন্য তাদের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
এরই মাঝে খবর পাওয়া যায়, গতকাল শুক্রবার ইরানের একুশটি জাহাজকে বন্দরের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সেই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প জানান, একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই অবরোধের অবসান ঘটবে।
ইরানে অবরোধ তুলে নেওয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এমন স্ববিরোধী বক্তব্যে অঞ্চলটি জুড়ে আবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নৌ- অবরোধ তুলে না নিলে প্রণালীটি আবার বন্ধ করে দেয়া হবে। শুধুমাত্র একটি নির্ধারিত পথ দিয়ে এবং ইরানের অনুমোদন সাপেক্ষে জাহাজ চলাচল করবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ জোরালো করে তেহরান।
অন্যদিকে, গত শনি ও রবিবার ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের ওপর কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করে ওয়াশিংটন।