সারাদেশ

‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা দিয়েই শুরু হয়েছিল সশস্ত্র প্রতিরোধ: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট: ১১:২৩, ২৮ মার্চ ২০২৬
photo

একটি ইনসাফভিত্তিক, উন্নত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই আহ্বান জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ‘উই রিভোল্ট’ (আমরা বিদ্রোহ করলাম) বলে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই প্রতিরোধের মাধ্যমেই মূলত দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল।

 

২৫ মার্চের স্মৃতি চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত ও ভয়ংকর নৃশংসতার দিন। ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়।

 

তারেক রহমান বলেন, ২৫ মার্চের এই গণহত্যা ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। তবে কেন এই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ প্রতিরোধ করা সম্ভব হলো না, তা তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে আজও ইতিহাসের গবেষণার বিষয় হয়ে আছে।

 

নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার প্রকৃত গুরুত্ব তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মহান আল্লাহর দরবারে সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

 

পরিশেষে তিনি বলেন, "আসুন, আমরা রাষ্ট্র ও সমাজে সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করি।" তিনি ২৫ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।