প্রতিবেদন প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, সময়ঃ ০৮:১০
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়ে ক্রীড়া চর্চা ছড়িয়ে দিতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সারাদেশে মোট ৪, ৫৯৯টি নতুন খেলার মাঠ গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি সুস্থ ও নতুন প্রজন্ম গঠন এবং মাদকমুক্ত বাংলাদেশ রূপায়নে খেলার মাঠ প্রসারিত করার এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আজ সোমবার দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন ও ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলার মাঠের সু-ব্যবস্থাকরণের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় দেশের সকল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণ (সিইও) উপস্থিত থেকে নিজ নিজ মতামত ও পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।
সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামীর প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ করে গড়ে তুলতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকেই এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার কাজ নির্বাচনের ২-৩ বছর আগেই শুরু হয়েছিল। খেলাধুলাকে কেবল বিনোদন নয়, বরং পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ক্রীড়াভাতা নানা সময়োপযোগী পদক্ষেপ কার্যকর করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি সারা দেশ থেকে নতুন প্রতিভা অন্বেষণে চালু হওয়া "নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস"-এর প্রথম আসর সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে দ্বিতীয় আসরের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলছে।
সভায় মাঠের সংকট দূর করতে এবং সর্বস্তরে খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করতে এক বিশাল অবকাঠামোগত রূপরেখা তুলে ধরা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি সিটি কর্পোরেশনের প্রতি ২-৩টি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে খেলার মাঠ এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে আধুনিক ফুটসাল গ্রাউন্ড নির্মাণ করা হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।