প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, সময়ঃ ০২:৪৫
স্টাফ রিপোর্টার: ইসলামিক টেলিভিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শামস এসকান্দার বলেছেন, ১৯৯২ সাল ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় তাকে অপহরণের ঘটনাটি একজন সিনিয়র সাংবাদিক বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন।
সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এর আগে দুপুরে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে বৈঠক করেন ইসলামিক টিভির একটি প্রতিনিধি দল।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঘটনার দিন আওয়ামী লীগের লোকজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং প্রায় ছয় ঘণ্টার বেশি সময় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের একটি কক্ষে আটকে রাখে। পরে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগের পর তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
শামস এসকান্দার জানান, ওই ঘটনার পর তার পিতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাঈদ এসকান্দারের বাসায় গিয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। একই সঙ্গে বিষয়টি যেন বেশি দূর না গড়ায় সে অনুরোধও করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি একজন সিনিয়র সাংবাদিক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এ ঘটনাকে ঘিরে একটি পোস্ট দেন, যেখানে প্রকৃত ঘটনা বিকৃতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সোমবার এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।
শামস এসকান্দার বলেন, “আমি যে পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলাম, সেটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। কিন্তু সাম্প্রতিক পোস্টে ঘটনাটি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।”
তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন পরও এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার দুঃখজনক এবং প্রকৃত ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা জরুরি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একজন সিনিয়র সাংবাদিক, একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাবেক সম্পাদক তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন। যে পোস্টে তিনি সেদিনের ঘটনার বিষয়ে কিছু তথ্য তুলে ধরেন।
এ সময় ইসলামিক টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহজানুল ইসলাম, প্রধান বার্তা সম্পাদক রফিক উজ্জামানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।