পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সময়ঃ ০৬:৪২

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের সকল বাংলাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই উৎসবকে বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

 

নববর্ষের বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের জাতিসত্তার এক অনন্য প্রতীক। শত শত বছর ধরে এই দিনটি নতুনের বার্তা নিয়ে আমাদের জীবনে ফিরে আসে। অতীতের সমস্ত গ্লানি ও জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায় এই উৎসব।

 

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে পহেলা বৈশাখের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি ও প্রকৃতির গভীর সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগেও কৃষকরা প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফসল উৎপাদনের সময় নির্ধারণ করেন। বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা এবং হালখাতার মতো ঐতিহ্যগুলো আমাদের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও ঐক্যকে আরও সমৃদ্ধ করে।

 

সরকারের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই কার্ড আগামী দিনে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সহনশীলতা ও উদারতা আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন:

"বিশ্ব আজ নানা সংকট ও সংঘাতে বিপর্যস্ত। এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।"

 

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতা ত্যাগ করে মানবকল্যাণের পথে চলার আহ্বান জানান। অতীতের সব হতাশা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নতুন বছর শুরু করার জন্য তিনি সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।