প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০৮:০৯
দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা ও গৃহস্থালি চাহিদ মিটাতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক ভিড়ছে এলএনজি, এলপিজি ও গ্যাস অয়েলবাহী বড় জাহাজ। কাতার, অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এসব জাহাজ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি খালাস নিশ্চিত করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতার ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা এলএনজি জাহাজ আল জুর, লুসাইল ও প্রাচী সম্প্রতি তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এছাড়া ওমান, মালয়েশিয়া ও ভারত থেকে আসা এলপিজি জাহাজ মর্নিং জেন, এপিক সান্টার এবং সিঙ্গাপুরের গ্যাস অয়েলবাহী জাহাজ গ্রান কুভা তাদের নির্ধারিত কাজ শেষে বন্দর ত্যাগ করেছে।
বর্তমানে খালাস প্রক্রিয়ায় তিনটি জাহাজ যুক্ত রয়েছে , ওমান থেকে আসা এলপিজিবাহী জাহাজ বিডব্লিউইকে বর্নহোম এখন সীতাকুণ্ড পয়েন্টে অবস্থান করছে। থাইল্যান্ড থেকে আসা বেইস অয়েলবাহী জাহাজ এবি অলিভিয়া বন্দরের ডিওজে/৪ জেটিতে রয়েছে।
সিঙ্গাপুর থেকে আসা গ্যাস অয়েলবাহী জাহাজ গ্রান কুভা বর্তমানে কুতুবদিয়া পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও চারটি বড় জাহাজ বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া থেকে এলএনজিবাহী জাহাজ নিউ ব্রেভ আজই বন্দরে পৌঁছানোর কথা। এছাড়া কাতার থেকে আসা এইচএল পাফিন (এলএনজি) জাহাজটি গতকাল পৌঁছানোর কথা থাকলেও তা এখনও বন্দরে এসে পৌঁছায়নি।
সিঙ্গাপুর থেকে আসা এই গ্যাস অয়েলবাহী জাহাজটি ৩১ মার্চ পৌঁছাবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা এই বিশাল এলএনজি জাহাজটি আগামী ৪ এপ্রিল বন্দরে ভিড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি পণ্যবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
মূলত আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আসা এসব জ্বালানি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।