প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০৭:৩৯
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও গৌরবজনক অধ্যায় হিসেবে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আমাদের অতীতকে যেমন ভুলে যাওয়া চলবে না, তেমনি কেবল অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে ভবিষ্যতের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সরকারপ্রধান তার বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সেই সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অবদান রাখা সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়াকে অতীতে ছোট করার যে অপচেষ্টা হয়েছে, তা থেকেই প্রমাণিত হয় যে তিনি মুক্তিযুদ্ধের এক অনিবার্য চরিত্র। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জিয়াউর রহমান হঠাৎ করেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালন করেছিলেন।
তার রচিত ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে স্বাধীনতার স্বপ্ন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তৎকালীন সময়ে এই প্রবন্ধ নিয়ে কেউ আপত্তি না তুললেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে শহীদ জিয়ার অনবদ্য ভূমিকা আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই।
দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, সমাজের কেবল একটি অংশ নয়, বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে সুখে-শান্তিতে থাকাই হোক এবারের স্বাধীনতা দিবসের মূল অঙ্গীকার।
বক্তব্যের শেষে তারেক রহমান দেশের সীমাবদ্ধ সম্পদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, মানুষের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও আমাদের সম্পদ সীমিত। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সকলে মিলে একযোগে কাজ করলে একটি কাঙ্ক্ষিত ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।