প্রতিবেদন প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০১:০০
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ। উৎসবের এই সময়ে বড় ধরনের কোনো অপরাধমূলক ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (২২ মার্চ) গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ার এই সন্তোষজনক চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, রমজান মাস থেকেই পুলিশ সদস্যরা দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা তৎপর ছিলেন, যার ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে ঈদের দিনেও। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে রাজধানীর বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কমিশনার জানান, নামাজের পর দুপুর থেকেই জাতীয় চিড়িয়াখানা, হাতিরঝিলসহ প্রধান বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। সর্বত্রই মানুষ স্বাচ্ছন্দে ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন।
ঈদে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকা ছাড়ায় রাজধানীর অনেক এলাকা এখন জনশূন্য। এই সুযোগে যাতে কোনো অপরাধ না ঘটে, সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার জানান, আগামী এক সপ্তাহ রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে রয়েছে:
যারা বাড়িতে তালা দিয়ে গ্রামের বাড়িতে গেছেন, তাদের উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার কিছু সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন:
১. পরিচিতজনদের মাধ্যমে নিয়মিত বাসার খোঁজখবর রাখা।
২. বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা।
৩. কোনো সন্দেহজনক কিছু দেখলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানো অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করা।
এবারের ঈদুল ফিতরে ঢাকা মহানগরীতে মোট ১ হাজার ৭৭১টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৯৯টি মসজিদে এবং ১২১টি ঈদগাহে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন। সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।