প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০৮:২২
নাগরিকদের যাবতীয় রাষ্ট্রীয় তথ্য ও সুযোগ-সুবিধা একটিমাত্র কার্ডের আওতায় আনতে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’প্রবর্তনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সোমবার (১৬ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের ‘আধার কার্ড’-এর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে এই সমন্বিত ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা জানান, বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে চীন ও ভারতের সঙ্গে ঋণভিত্তিক সম্পর্কের বদলে বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য হলো সরাসরি বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
জ্বালানি খাতের চুক্তিসমূহ নিয়ে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, অতীতের অনেক চুক্তিই ছিল অসম, যা দেশের স্বার্থের অনুকূলে ছিল না। বর্তমান সরকার ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং অর্থনৈতিক লাভজনকতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আগের ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে একটি স্বচ্ছ ও টেকসই জ্বালানি নীতি প্রণয়নের বিষয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন।
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং নাগরিকদের সেবাপ্রাপ্তি সহজতর করার মাধ্যমেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।