প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০৮:৪৭
বাংলাদেশে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা দিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সংবিধানকে সমুন্নত রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর। শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মানীর চেক বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এরপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া জনঘোষণাগুলো মাত্র এক মাসের মাথায় বাস্তবায়ন হওয়াটা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হতে পারে। তবে বর্তমান সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে বলেন "সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার স্বীকৃত। এই সংবিধানকে পথপ্রদর্শক হিসেবে মেনে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং পরিকল্পিত সামাজিক পরিবর্তনগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।"
তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল। সেই ঐক্যবদ্ধ শক্তির মাধ্যমেই মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লালিত স্বপ্ন পূরণ সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের জন্য এই মাসিক সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে প্রান্তিক পর্যায়ে ধর্মীয় সেবকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী তার বক্তব্য শেষ করেন।