প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০৯:০৯
চলতি বছরেই দেশের ৪ হাজার ৬৫৩টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া এবং আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। আজ সোমবার (৯ মার্চ) কমিশনের নির্বাচন পরিচালনা শাখা থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, তৃণমূল পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে এ বছর বড় ধরনের কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করতে হবে। দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়নের মধ্যে এ বছরই ৩ হাজার ৭৫৫টি ভোটগ্রহণের উপযোগী হবে। বাকি ৩৪৯টি ইউনিয়নে নির্বাচন হবে আগামী বছর। বর্তমানে দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, ৬১টি জেলা পরিষদ, ৩৩০টি বিলুপ্ত পৌরসভা এবং ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
সংবিধান ও আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি নিলেও ভোটের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করবে সরকার। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করা হবে। তবে এরই মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ভোট করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচনগুলোও কমিশনের নিয়মিত কাজের অংশ। তিনি বলেন, "ঈদুল ফিতরের পর নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি শুরু হবে। তবে ভোট দলীয় নাকি নির্দলীয় প্রতীকে হবে—তা জানতে আমরা জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি।"
নির্বাচন কমিশন জোর দিয়ে জানিয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত ও আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মূলত তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আইনি সময়সীমার মধ্যেই এসব নির্বাচন শেষ করতে চায় কমিশন।