প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০২:৪৬
ইরানের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী হুঁশিয়ারির সূত্র ধরে দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, আজ রাতেই ইরানে এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান হামলা চালানো হবে। মূলত তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই সামরিক পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, মার্কিন বাহিনীর এবারের অভিযানের মূল লক্ষ্যবস্তু হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং এসব অস্ত্র তৈরির কারখানাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই হামলার ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং তাদের অস্ত্র তৈরির চেইন অকার্যকর হয়ে পড়বে।
হামলার যৌক্তিকতা তুলে ধরে বেসেন্ট অভিযোগ করেন যে, ইরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট 'হরমুজ প্রণালি'র ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের মতে, এই সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাবকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
আল-জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে। মধ্যপ্রাচ্যে এই সম্ভাব্য হামলার প্রভাব শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।