ঈদে টানা ছুটির হাতছানি: সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কতদিনের ছুটি?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ১২:৫৫

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ক্যালেন্ডারের পাতায় ছুটির হিসাব কষতে শুরু করেছেন চাকুরিজীবীরা। ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এবার ঈদে সরকারিভাবে পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। তবে কৌশলী হলে সরকারি চাকুরিজীবীরা টানা ১০ দিন পর্যন্ত ছুটি কাটানোর সুযোগ পেতে পারেন।

 

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে রমজানের চাঁদ দেখা যায় এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হয়। হিজরি মাস চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়, আগামী ২০ মার্চ যদি শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আর রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদ হবে ২২ মার্চ।

 

 

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ধরে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এর আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের জন্য সাধারণ ছুটি রয়েছে। তবে ১৮ মার্চ (বুধবার) একটি নিয়মিত কর্মদিবস রাখা হয়েছে। এরপর ১৯ মার্চ ২৯শে রোজা থেকেই শুরু হবে ঈদের মূল ছুটি।

 

সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য এবারের ঈদে দীর্ঘ অবকাশের একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:

 

  • ১৭ মার্চ: শবে কদরের ছুটি।
  • ১৮ মার্চ: অফিস খোলা (এই একদিন ছুটি নিলে শবে কদর থেকে ঈদের ছুটি মিলে যাবে)।
  • ১৯-২৩ মার্চ: ঈদের ৫ দিনের সরকারি ছুটি।
  • ২৪-২৫ মার্চ: অফিস খোলা।
  • ২৬ মার্চ: স্বাধীনতা দিবসের ছুটি।
  • ২৭-২৮ মার্চ: শুক্র ও শনিবার (সাপ্তাহিক ছুটি)।

যদি কোনো চাকুরিজীবী মাঝখানের ২৪ ও ২৫ মার্চ—এই দুই দিন নৈমিত্তিক ছুটি (CL) নিতে পারেন, তবে তিনি ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের লম্বা ছুটি উপভোগ করতে পারবেন। এমনকি ১৮ মার্চ ছুটি নিলে এই ছুটি আরও দীর্ঘ হবে।

 

সরকারি ছুটির সাথে মিল রেখে অধিকাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও, বেসরকারি খাতের ছুটির বিষয়টি মূলত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতিমালার ওপর নির্ভর করে। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ চাইলে সরকারি তালিকার সাথে সমন্বয় করে তাদের কর্মীদের ছুটির ঘোষণা দিয়ে থাকে।