প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০২:০৩
দেশের নিম্ন-আয়ের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ১০ মার্চ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন বলে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৩টি জেলার একটি করে ওয়ার্ডে পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু না হলেও প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে বেশ কিছু নথিপত্র গুছিয়ে রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীর কাছে যা যা থাকতে হবে:আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি একটি সচল মোবাইল নম্বর।
পাইলট প্রকল্প শেষ হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফরম সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী এবং অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারগুলো এই কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার পাবে। জানা গেছে, প্রতিটি পরিবারের বিপরীতে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ অথবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়া হতে পারে। এতে বছরে প্রায় ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর পেছনে সরকারের ব্যয় হবে ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই যেন প্রকৃত দুস্থরা এই সহায়তা পান, সেজন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সভাপতি করে ১৪ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। এই কমিটিতে সমাজকল্যাণমন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও বিভিন্ন দপ্তরের সচিবগণ দায়িত্ব পালন করছেন।
বিএনপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনী অঙ্গীকার এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। সরকার গঠনের পরপরই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।