প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০২:২৮
আগামী ১২ মার্চ বসতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন। নবনির্বাচিত সরকার গঠনের পর এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে মূল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং বিশেষ করে সরকারদলীয় চিফ হুইপ পদে কারা আসছেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। পাশাপাশি ১০ জন অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে উপদেষ্টাপদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই বিশাল মন্ত্রিসভা গঠনের পর এখন সবার নজর সংসদীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর দিকে।
সংসদীয় সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সরকারদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে এখন পর্যন্ত নোয়াখালী জেলার দুজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। তারা হলেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক এবং নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলু।
চিফ হুইপ পদের দৌড়ে রাজনৈতিক মহলে জয়নুল আবদিন ফারুকের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। ৬ বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি নবম জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। সংসদীয় রীতিনীতি ও পরিচালনা বিষয়ে তার এই পূর্ব অভিজ্ঞতা তাকে সম্ভাব্য তালিকায় এগিয়ে রাখছে।
অন্যদিকে, ৫ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য বরকত উল্লাহ বুলুর নামটিও বেশ আলোচনায় রয়েছে। তিনি ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমান মন্ত্রিসভায় তার অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ব্যাপক গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেখানে তার নাম না থাকায়, তাকে গুরুত্বপূর্ণ এই সংসদীয় পদে দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা।
অপেক্ষার অবসান ঘটবে ১২ মার্চ তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের এই সংসদীয় নিয়োগ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল বিরাজ করছে। ১২ মার্চের অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের পাশাপাশি চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হতে পারে।