প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০২:১৩
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর ও রমজান মাসকে কেন্দ্র করে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় ফ্যামিলি কার্ডের রূপরেখা ও এটি বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের যে অঙ্গীকার ছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় ঈদের আগেই এই কার্যক্রমের প্রাথমিক ধাপ শুরু করা হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, এই কার্ডটি হবে সার্বজনীন। অর্থাৎ, দেশের সকল স্তরের মানুষের জন্যই এটি উন্মুক্ত থাকবে এবং এখানে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ রাখা হয়নি। তবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি পর্যায়ক্রমে কার্যক্রমটি এগিয়ে নেবে। শুরুতে দেশের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, এরপর যথাক্রমে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সেবার আওতায় আনা হবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে এই কার্যক্রমটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুরু হলেও এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। আজকের সভায় মূলত কার্ডটি কীভাবে সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছাবে এবং এর পরিচালনা পদ্ধতি কেমন হবে, সেসব কারিগরি ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রমজান মাসে এই প্রকল্পের সূচনা সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে এবং কার্ডের মাধ্যমে ত্রাণ বা সরকারি সুবিধা বণ্টন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে।
সব মিলিয়ে, সরকারের এই উদ্যোগটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।