প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০৩:৫৬
দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, রাষ্ট্র গঠনের ৫৪ বছর পরও শিক্ষা খাত কাঙ্ক্ষিত অগ্রাধিকার না পাওয়া হতাশাজনক। বর্তমানে শিক্ষা বাজেটে জিডিপির অনুপাত প্রায় ২ শতাংশের কাছাকাছি, যা নেপাল বা শ্রীলঙ্কার মতো পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। মন্ত্রী এই বরাদ্দ ৫ থেকে ৬ শতাংশে উন্নীত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, "আগে আমাদের অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে, তবেই বাজেটে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।"
পাঠ্যক্রম নিয়ে চলমান বিতর্ক প্রসঙ্গে এহছানুল হক মিলন জানান, যেকোনো পরিবর্তন বাস্তবসম্মত ও সময়ের প্রয়োজনে হতে হবে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে আলোচনার মাধ্যমেই কারিকুলাম সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে 'হাস্যকর অবস্থান' থেকে মুক্ত করে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে তৈরি হওয়া প্রত্যাশা ও শিক্ষায় শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণাকে এমন উচ্চতায় নিতে হবে যাতে উন্নত বিশ্বও আমাদের মূল্যায়ন করে। তিনি আরও জানান, দেশের নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাবেন।
শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী বিশ্বাস করেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষা খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব।