প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সময়ঃ ০৬:৫৬
নতুন নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবন কোথায় হবে, তা নির্ভর করছে আগামী সরকারের পছন্দের ওপর। অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানিয়েছেন, নতুন সরকার যেভাবে চাইবে, সেভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চূড়ান্ত করা হবে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সরকারের এই প্রস্তুতির কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান বলেন, “নতুন সরকারের পক্ষ থেকে যেভাবে চাওয়া হবে, সেভাবেই সব ব্যবস্থা করা হবে। ওনাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” অর্থাৎ, আগামীতে যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবেন, তাদের চাহিদাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বর্তমান প্রশাসন।
প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য অর্থাৎ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের আবাসনের কাজও গুছিয়ে এনেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। উপদেষ্টা জানান, সচিবালয় ও এর আশপাশের এলাকায় মোট ৩৭টি বাড়ি ইতোমধ্যে বসবাসের উপযোগী করে রাখা হয়েছে। এসব বাড়ির অবস্থান মূলত রাজধানীর মিন্টো রোড, হেয়ার রোড, ধানমন্ডি ও গুলশান এলাকায়। প্রয়োজন দেখা দিলে আরও কয়েকটি বাড়ি প্রস্তুত করার পরিকল্পনাও মন্ত্রণালয়ের রয়েছে।
আদিলুর রহমান খান আরও স্পষ্ট করেন যে, বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা যে বাড়িগুলোতে অবস্থান করছেন, সেগুলোও এই ৩৭টি বাড়ির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে পরবর্তী সরকারের শপথ গ্রহণের পর আবাসন সংকটের কোনো সম্ভাবনা থাকছে না।
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা বজায় রেখে এই আবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করে যাচ্ছে।